শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা আন্দলনে মৃত্যুবরণকারীদের প্রতি সম্মান জানানো জায়েয নয়। কেননা মৃত্যের প্রতি সম্মান জানানোর এ পদ্ধতি কাফেরদের সাথে সাদৃশ্য রাখার অর্থ বহন করে।
তবে এ মহান ব্যক্তিদের প্রতি প্রকৃত সম্মান প্রদান হলো- তাদের জন্য ঈসালে সাওয়াব করে দোয়া করা। তাদের জন্য সদকায়ে জারিয়ার ব্যবস্থা করে দেয়া।
আল্লামা আইনী রাহ., বলেছেন,
وكذلك ما يفعله أكثر الناس من وضع ما فيه رطوبة من الرياحين والبقول ونحوهما على القبور ليس بشيء، وإنما السنة الغرز
তেমনি আকসার লোক যা করে থাকে অর্থাৎ কবরে ফুল-পাতা দেওয়া, এ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সুন্নত হচ্ছে শুধু শাখা পোঁতা। -উমদাতুল কারী ৩/১২১
ফাতাওয়া লাজনাতিদ্দায়িমা (আরব বিশ্বের সর্বোচ্চ ফতোয়া কমিটির ফতওয়াসমগ্র)-তে এসেছে,
وضع الزهور على قبور الشهداء أو قبور غيرهم- من البدع التي أحدثها بعض المسلمين في الدول التي اشتدت صلتها بالدول الكافرة، استحسانا لما لدى الكفار من صنيعهم مع موتاهم، وهذا ممنوع شرعا لما فيه من التشبه بالكفار،
শহিদদের কবরে কিংবা অন্যদের কবরে ফুল দেয়া এমন এক বেদআত যা আবিস্কার করেছে এমন কিছু মুসলিম রাষ্ট্র যেগুলোর বন্ধন অমুসলিম রাষ্ট্রেগুলোর সঙ্গে দৃঢ়। কাফেররা তাদের মৃতদের সঙ্গে যা করে এরাও তাদের অনুকরণে তা করে। এটি শরিয়তের দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ। কেননা, এতে কাফেরদের সাদৃশ্যতা গ্রহণ বিদ্যমান। (ফাতাওয়া লাজনাতিদ্দায়িমা, ফতওয়া নং ৪০২৩)