আসসালামু আলাইকুম। বর্তমানে চাঁদের মাসয়ালা নিয়ে আলোচিত হচ্ছে। সারাবিশ্বে একই দিনে রোযা,ইদ,কুরবানী এ মতের পক্ষে যারা, তারা তো হানাফী,মালেকী, হাম্বলী মাযহাবের সম্মিলিত মত উল্লেখ করেছেন যে ইখতেলাফুল মাত্বালেয় গ্রহণযৌগ্য নয়।ফতোয়ায়ে শামী,আলমগীরী, কাজী খান,তরিকুল ইসলাম, এবং তারা যাওয়াহেরের রেওয়ায়েত উল্লেখ করেছেন এই মতের পক্ষে। এবং তারা হাদীসে কুরাইব কে দলীল হিসেবে নিচ্ছেন না। তারা বলেন এটা হাদিস নয়, এটা আছার।। হুজুর এখন আমার প্রশ্ন হলো, তাদের এই মতকে আমরা কিভাবে খন্ডাতে পারি?কারন আমরা তো একদিন পর ইদ করি। একসাথে দুইটা তো সঠিক নয়। তারা তাদের পক্ষে দলীল উপস্থাপন করেছেন।১৬৮ পেইজের একটা লিখনী ও তাদের আছে। আমরা তো মনে করি আমরা সঠিক। এখন আমাদের পক্ষে কিছু আদিল্লা অবশ্যই প্রয়োজন। অনুগ্রহপূর্বক,এই বিষয় যদি কিছু বলতেন। একান্তই জানার জন্য জিজ্ঞেস করা।
মহিলারা ঘড়ি পরিধান করা জায়েয আছে কি? মহিলাদের ঘড়ি ক্রয় বিক্রয় করা জায়েয আছে কি?
অযু ছাড়া মোবাইল ফোনে কুরআন শরীফ পড়া যাবে?
ssalamu alaikum. doya kore sothik uttor diben..ami amn notepad e tik diye rakhi.kintu akta poste nicher likhata pelam..onksomoy mone rakha jyna ki ki korlam kotobar ba missing ase kina. শাইখ মুহাম্মাদ ইবনে সালেহ আল-উসাইমীন রাহিমাহুল্লাহ’কে মানুষ দৈনন্দিন আমলের যে চেক লিস্ট করেন অর্থাৎ, তিনি আজকে কত ওয়াক্ত নামাজ জামাতে পড়েছেন, কী কী করেছেন, কোন কোন আমল করেছেন ‘এগুলো যদি করা হয় বা টিক চিহ্ন দেন—তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি জবাবে বলেন: এই পদ্ধতিটি শরী'য়তসম্মত নয়, বরং এটি বিদ'আত। এবং সম্ভবত এটি অন্তর থেকে আল্লাহ’র জন্য ইবাদতের মর্মার্থ ছিনিয়ে নেয়। এবং ইবাদতসমূহ যেন রুটিন মাফিক কাজে পরিণত হয়, যেমনটি তারা বলে। [সালেহ আল-উসাইমীন; মাজমু'উ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল, খন্ড নং ১৬, পৃষ্ঠা ১৭৫-১৭৬] - মানহাজুস সালাফ শাইখ আসিম আল হাকিমকে তাঁর টুইটারে চেকলিস্টের ছবি দেখিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেছিলেন এটা বিদআত। (৬ ডিসেম্বর ২০২৪)
কিস্তিতে মোবাইল কেনা কি জায়েজ হবে।
মাহরাম ছাড়া মহিলারা সফর করতে পারে না।প্রশ্ন হলো- কতটুকু সফর? ৪৮ মাইলের বেশি সফর নাকি ২/১০ মাইলের সফরের ক্ষেত্রেও একই হুকুম?