তিলাওয়াত:
মুখস্থ বা দেখে—যেকোনোভাবেই কুরআনের আয়াত তিলাওয়াত করা জায়েজ নেই। তবে দোয়ার নিয়তে কুরআনের ছোট দোয়াগুলো পড়া যাবে।
লেখা:
সরাসরি কুরআনের আয়াত লেখা নিষেধ। তবে খুব প্রয়োজনে সরাসরি স্পর্শ না করে (যেমন কলম দিয়ে কাগজে হাত না ঠেকিয়ে) লেখা যেতে পারে, তবে এড়িয়ে চলাই উত্তম।
শিক্ষিকা ও ছাত্রী:
তারা তিলাওয়াতের নিয়তে পুরো আয়াত না পড়ে শব্দে শব্দে (Word by word) ভেঙে ভেঙে উচ্চারণ করতে পারবেন। যেমন: 'আলহামদু' (বিরতি) 'লিল্লাহি' (বিরতি)। এভাবে পড়ানো বা সবক দেওয়া জায়েজ।
বিকল্প আমল:
এই অবস্থায় তিলাওয়াত বন্ধ থাকলেও দুরুদ শরীফ, ইস্তিগফার, তসবিহ এবং সব ধরনের জিকির-আযকার করা পুরোপুরি জায়েজ ও সওয়াবের কাজ।
عن ابن عمر : عن النبي صلى الله عليه و سلم قال لا تقرأ الحائض ولا الجنب شيئا من القرآن (سنن الترمذى، رقم الحديث-131