বড় খালার অংশ:
বড় খালা যেহেতু নানুর আগে মারা গেছেন, তাই তিনি নানুর সম্পত্তির সরাসরি ওয়ারিশ হবেন না। তবে নানু জীবিত অবস্থায় তাকে যে জমি দিয়ে গেছেন, সেটি খালারই থাকবে; নানুর বর্তমান সম্পত্তি বন্টনের সময় ওই জমি মাইনাস বা হিসাব করার প্রয়োজন নেই। খালাতো ভাইবোনরা নানুর সম্পত্তির সরাসরি অংশীদার নন, তবে আপনাদের সবার সম্মতিতে তাদের কিছু দেওয়া যেতে পারে।
ছোট মামার ২ মেয়ের অংশ:
নানু মারা যাওয়ার সময় ছোট মামা জীবিত ছিলেন, তাই নানুর সম্পত্তিতে মামার অংশ বরাদ্দ হয়ে গিয়েছিল। এখন ছোট মামা মারা যাওয়ায় তার সেই অংশের দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) পাবেন তার দুই মেয়ে। বাকি অংশ মামার স্ত্রী (যদি থাকেন) এবং মামার ভাই ও বোনদের (আপনার বড় মামা, মা ও খালাদের) মধ্যে বন্টন হবে।
জমির বন্টন পদ্ধতি:
জমির দাম কম-বেশি হলে সেটি বর্গফুট বা শতাংশের বদলে আর্থিক মূল্যের ভিত্তিতে বন্টন করতে হবে। দামি জমি যে পাবে তার জমির পরিমাণ কম হবে, আর সস্তা জমি যে পাবে তার জমির পরিমাণ বেশি হবে যাতে সবার ভাগের মোট আর্থিক মূল্য সমান থাকে। এক্ষেত্রে একজন অভিজ্ঞ সার্ভেয়ার বা আমিনের মাধ্যমে প্রতিটি জমির বর্তমান বাজার দর নির্ধারণ করে বন্টন করা সবচেয়ে উত্তম।
এখন আপনার নানুর মোট সম্পদকে ৭ ভাগ করে বণ্টন করবেন এভাবে, বন্টনের সাধারণ নিয়ম:
ছেলে, মেয়ের দ্বিগুণ পায়। অর্থাৎ:
-বড় মামা: ২ ভাগ পাবেন।
-মৃত ছোট মামার অংশ: ২ ভাগ (যা তার স্ত্রী, ২ মেয়ে+ ভাই বোন)।
-মা ও ২ খালা: প্রত্যেকে ১ ভাগ করে পাবেন।