উত্তর: কিস্তিতে ফ্রিজ কেনা জায়েজ। তবে এর জন্য শর্ত হলো, চুক্তি করার সময়ই ফ্রিজের মোট মূল্য এবং কিস্তির মেয়াদ সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করে নিতে হবে। যেমন, নগদ কিনলে ৫০ হাজার, আর এক বছরের কিস্তিতে কিনলে ৬০ হাজার। এভাবে যেকোনো একটি মূল্য চূড়ান্ত করতে হবে। চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পর মেয়াদ শেষে টাকা দিতে দেরি হলেও অতিরিক্ত কোনো টাকা বা জরিমানা বা সুদ দাবি করা যাবে না। যদি চুক্তির মধ্যে এমন শর্ত থাকে যে, "সময়মতো কিস্তি পরিশোধ না করতে পারলে অতিরিক্ত জরিমানা বা সুদ দিতে হবে", তবে সুদের শর্ত থাকার কারণে এমন চুক্তি করা নাজায়েজ ও গুনাহের কাজ হবে।
قال الله تعالى: وَأَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا
سورة البقرة، الآية: ٢٧٥
عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من باع بيعتين في بيعة فله أوكسهما أو الربا
سنن أبي داود، رقم الحديث: ٣٤٦١
أما الأئمة الأربعة وجمهور الفقهاء والمحدثون، فقد أجازوا البيع المؤجل بأكثر من سعر النقد، بشرط أن يبت العاقدان بأنه بيع مؤجل بأجل معلوم، وبثمن متفق عيه عند العقد،
بحوث في قضايا فقهية معاصرة ١/١١ — محمد تقي العثماني