স্বামী যদি মুখে কিছু না-ও বলে, কিন্তু সজ্ঞানে ও স্বেচ্ছায় ডিভোর্স লেটারে সাইন করে, তবে তালাক হয়ে যাবে। কারণ লিখিত তালাক মুখে বলার মতোই কার্যকর।
অন্যদিকে, মেয়ে বা স্ত্রী যদি কেবল ডিভোর্স লেটারে সাইন করে, তবে সরাসরি কোনো তালাক পতিত হয় না। কারণ ইসলামে তালাকের অধিকার প্রাথমিকভাবে স্বামীর। তবে স্বামী যদি স্ত্রীকে তালাকের অধিকার অর্পণ করে থাকে (তালাকে তাফভিয) অথবা আইনি প্রক্রিয়ায় স্ত্রী 'খোলা তালাক' বা ডিভোর্সের আবেদন করে এবং সেই পেপারে স্বামী সম্মতি দিয়ে স্বাক্ষর করে, তবেই কেবল ডিভোর্স কার্যকর হবে। শুধু স্ত্রীর একা সাইন করায় তালাক হয় না।