নবীজি (সা.)-এর পিতা-মাতার পরকালীন বিষয়ে ওলামায়ে কেরামের দুটি মত রয়েছে। একদল আলেমের মতে, তাঁরা 'ফাতরাত' অর্থাৎ দুই নবীর মধ্যবর্তী জাহেলি যুগের মানুষ হওয়ায় তাঁদের কাছে কোনো দ্বীনি দাওয়াত পৌঁছায়নি, তাই কুরআনের ঘোষণা অনুযায়ী তাঁরা মুক্তিপ্রাপ্ত ও জান্নাতী।
তাছাড়া কিছু বর্ণনায় এসেছে, নবীজি (সা.)-এর দোয়ায় আল্লাহ তাঁদের জীবিত করেছিলেন এবং তাঁরা ঈমান এনেছিলেন। অন্যদিকে সহীহ মুসলিমের হাদিসে নবীজির পিতা জাহান্নামে থাকা এবং মায়ের জন্য ক্ষমার দোয়া করার অনুমতি না পাওয়ার যে উল্লেখ আছে, তার ব্যাখ্যায় মুহাক্কিকগণ বলেন, সেখানে 'পিতা' বলতে আপন পিতা নয় বরং কাফের চাচা আবু লাহাব বা আবু তালিবকে বোঝানো হয়েছে এবং মায়ের ঘটনাটি ইসলামের প্রথম যুগের ছিল যা পরে রহিত হয়েছে।
যেহেতু এটি ঈমানের মৌলিক কোনো বিষয় নয়, তাই নবীজি (সা.)-এর প্রতি আদব বজায় রেখে এই বিষয়ে বিতর্ক না করে নীরব থাকাই উত্তম।