আমি একটা হিন্দু ফ্যামিলিতে টিউশন করি,টিউশনিতে আমাকে নাস্তা দেয়,আমার কি নাস্তা করা জায়েজ হবে?
কেউ কেউ বলে প্রেগনেন্ট অবস্থায় ঘুমের ঘরে স্বপ্নে ফল বা কিছু খাওয়া খারাপ বা এমনও বলে এর কারণে গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায় ইসলাম এই বিষয়ে কি বলে
প্রথমে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, এইরকম প্রশ্ন করার জন্য, চরিত্র রক্ষার্থে এই প্রশ্নের উত্তর জানা জরুরি, আশা করি উত্তর দিবেন, একটা প্রশ্ন ছিলো, স্বামী যদি স্ত্রীর শারীরিক চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হয় এবং এই বিষয়ে স্বামী উদাসীন থাকে সেই ক্ষেত্রে স্ত্রী তার চাহিদা পূরণের জন্য কি কোনো ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবে কি অথবা চাহিদা কমানোর ঔষধ খাবে? (বি: দ্র : Arranged marriage ২ বছর, বিচ্ছেদ সম্ভব না)
আসসালামু আলাইকুম বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী কাবিনের ১৮ নাম্বার ধারায় স্ত্রীকে তালাকের অধিকার দেওয়ার একটা কথা উল্লেখ আছে। এবং তারা এই আয়াতের দলিল দেয় । يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُل لِّأَزْوَاجِكَ إِنْ كُنْتُنَّ تُرِدْنَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا وَزِينَتَهَا فَتَعَالَيْنَ أُمَتِّعْكُنَّ وَأُسَرِّحْكُنَّ سَرَاحًا جَمِيلًا وَإِنْ كُنْتُنَّ تُرِدْنَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَالدَّارَ الْآخِرَةَ এখানে দেখা যাইতেছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম তাদেরকে বলেছেন তোমরা চাইলে আমার কাছ থেকে তালাক নিতে পারো। এ কথা এই না যে তোমাদের তালাকের অধিকার দিলাম তোমরা ইচ্ছে মতো তালাক দিতে পারবে কিন্তু ইসলামী শরীয়ত তো স্ত্রীকে তালাকের অধিকার দেয় না বরং খোলা নেওয়ার অধিকার আছে। তারপর আরেকটা আইন আছে স্ত্রী যদি স্বামীকে ডিভোর্স লেটার পাঠায় স্বামী স্বাক্ষর করুক বা না করুক ৯০ দিনের ভিতর ডিভোর্স হয়ে যায়। কিন্তু ডিভোর্স লেটারের সাক্ষর না করার মানে হল স্বামী স্ত্রীকে তালাক দেয় নাই। ১.এখন যদি কোন স্ত্রী ডিভোর্স লেটার পাঠায় কিন্তু স্বামীর স্বাক্ষর না করে তাহলে কি তালাক হবে? ২. ওই নারী কি অন্যত্র বিবাহ বসতে পারবে? ৩.পরবর্তীতে ৯০ দিন পর ফিরে আসতে পারবে?
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। মুহতারাম জানতে চাচ্ছি, স্ত্রী তালাক হওয়ার জন্য স্বামী কি সরাসরি ঐ ডিভোর্স লেটারে সাইন করা শর্ত?
১/ প্রশ্ন– বিয়ের কাবিননামা লেখা ও সরকারি নিবন্ধনের জন্য যে খরচ হয়, শরিয়তের দৃষ্টিতে সেই খরচ বহন করার দায়িত্ব কার—ছেলেপক্ষ, নাকি মেয়েপক্ষ, ২/ প্রশ্ন– বিয়ের আকদ (নিকাহ) পড়ানোর পর ইমাম/হুজুরকে যে সম্মানসূচক হাদিয়া দেওয়া হয়, শরিয়তের দৃষ্টিতে তা কার দেওয়া উচিত—ছেলেপক্ষ নাকি মেয়েপক্ষ,
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ। আমি একবার মাগরিবের আগে অজু করি। কিন্তু ওযু করার পরে কলেমায়ে শাহাদাত পাঠ করতে ভুলে যায়। পরবর্তীতে মাগরিবের নামাজ পড়ি মসজিদ থেকে বের হয়ে গিয়েছি। তারও দীর্ঘক্ষণ পর আমার মনে পড়েছে যে আমি তো কলেমায়ে শাহাদাত পাঠ করিনি। ওই সময় যদি আমি কলেমার শাহাদাত পাঠ করি তাহলে অযুর পরে কলমের শাহাদাত পাঠ করলে হাদিসে যে বিভিন্ন ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে তা কি আমি পাবো? এবং অজুর দীর্ঘক্ষণ পর কলেমায়ে শাহাদাত পাঠ করার ক্ষেত্রে ওই সময় কি অজু থাকা শর্ত নাকি অজু ভেঙ্গে গেলেও হবে?
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমরা তো জানি রাদিয়াল্লাহু আনহু দুয়া হিসেবে যে কোন সাধারণ মানুষের পরে ব্যবহার করা যাই। কিন্তু জানার বিষয় হল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম,এটি আমাদের শেষ নবী মোহাম্মদ ছড়া যেকোনো সাধারণ মানুষের নামের পরে কি এটি ব্যবহার করা জায়েজ হবে? দোয়া হিসেবে ব্যবহার করলে?
চার রাকাত ফরজ নামাজে তৃতীয় বা চতুর্থ রাকাতে সূরা মিলিয়ে ফেললে করণীয় কি?
২ জনে কি নামাজের জামাত হয়? আরবী ব্যাকরণে তো ৩ থেকে জমা শুরু হয়।