السلام عليكم ورحمة الله وبركاته মুফতী সাহেব হযরত, রমযানের রোজা অবস্থায় ফরয গোসলে নাকের ভিতরে কতটুকু পানি পৌঁছাতে হবে?
তারাবিহ এর পরে জামায়াতে বিতের আদায় না করে তাহাজ্জুদ এর পরে আদায় করলে কোনটি উত্তম হবে ?
যদি দাঁত বা টুট থেকে রক্ত পড়ে রোজা কি বহাল থাকবে....?
মযী কোনটা আর মনীশ কোনটা কিভাবে বুঝব? আর কোনটার কারণে গোসল ফরজ হয়?
ইফতার কখন করবে আযানের আগে নাকি পরে "ইফতারের সময় হয়েছে সবাই ইফতার করুন " একথা বলেই আযান দেওয়া ঠিক কিনা?
ইমাম মুসুল্লিদের চেয়ে উঁচু স্থানে দাঁড়ালে নামাজ নষ্ট হয়?? এবং কত টুকু উঁচু হলে নষ্ট হয়।
নামাজে যদি এক কাতার খালি রেখে যদি মুসুল্লিরা নামাজ পড়ে তাহলে কি নামাজ আদায় হবে?? নামাজে কত টুকু দূরত্ব ( ফাকা রেখে) দাঁড়ালে নামাজ নষ্ট হয়।
রমাজানে রোজা রেখে রক্ত বা স্যালাইন নিলে রোজার সমস্যা হবে কিনা।
ওয়াক্ত শুরু হওয়ার আগে আযান দিয়ে দিলে, আজান তো হবে না। আজান না হলে, ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর ঐ মসজিদ মুসল্লীদের নামাজ কি হবে?
টাকা পয়সা জমানোর আসক্তি আছে। এতে কি গুনাহ্ হবে?