আমি বর্তমানে ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি অর্থাৎ মাদ্রাসায়, মেয়ে আমার ক্লাসমেট সে বিয়ে করেছিল ২ বছর আগে এক ছেলের সঙ্গে রিলেশন করে কিন্তু সেই ছেলে,অন্য মেয়েদের সাথে কথা বলে এবং পরকিয়ায় করে মেয়েটি অনেক বুঝানোর পড়েও সংসার করতে চাইলে ছেলেটি করে না, বর্তমানে তাদের ডিভোর্সের জন্য মামলা চলছে ৫-৬ মাসের মধ্যে মামলা শেষ হয়ে যাবে, এখন কথা হলো মেয়েটা আমার ক্লাসমেট আমি যতোটুকু বুঝলাম মেয়েটা অনেক ভালো এবং দ্বীনদার, মেয়েরা দুই বোন কোন ভাই নেই বাবা এবং মা আমি যদি তাকে বিয়ে করতে চাই সে রাজি হবে, তবে তার পরিবার একটু নিচু মানের এবং আমার পরিবার একটু উঁচু মানের হয়তো আমার পরিবার সেটা এলাও না করতে পারে,তবে ইসলামিক দিক দিয়ে চিন্তা ভাবনা করে মেয়েটা কে বিবাহ করা একটা অনেক ভালো কাজ হবে আমার মতে, আপনাদের কাছে পরামর্শ চাচ্ছি মেয়েটাকে বিবাহ করা ঠিক হবে কি না?
রোজা রাখা অবস্থায় পুরুষের লজ্জাস্থানে ঔষধ ব্যবহার করা যাবে কিনা? যেমন মলম বা তেল জাতিয় কোনো ঔষধ।
ইফতারের সময় কেউ যদি হস্তমৈথুনের মাধ্যমে রোজা ভঙ্গ করে, তাহলে কি রোজা হবে?
মহিলাদেরকে নিয়ে কি জামাতে তারাবির নামাজ আদায় করা যাবে । অনেকেই আমার পরিবারের লোক এক্ষেত্রে কোন ফিতনার আশংকা করছি না। এখন কি পড়া চালিয়ে যাব নাকি বাদ দিয়ে দিব।
আমাদের গ্রামের মুরুব্বীরা ১৯৫৪ সালে সবার সম্মিলিত দানে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। দীর্ঘ সময় পর মসজিদের আশপাশে জনবসতি বৃদ্ধি পাওয়ায় একদল মানুষ যাতায়াতের পথ সংকীর্ণ হওয়া এবং সংলগ্ন বাড়িঘরের কোলাহলে ইবাদতে বিঘ্ন ঘটার অজুহাত তুলে নতুন একটি মসজিদ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। ফলশ্রুতিতে, ২০১৬ সালে একটি কাতার ভিত্তিক বিদেশি দাতব্য সংস্থার সহায়তায় পুরনো মসজিদ থেকে মাত্র ৫০ ফুট দূরত্বে একটি নতুন মসজিদ নির্মিত হয় এবং পুরাতন মসজিদের অযত্নে ফেলে রাখে। নতুন মসজিদটি চালু হওয়ার পর গ্রামের অধিকাংশ মুসল্লি পুরনো মসজিদ ছেড়ে সেখানে নামাজ পড়া শুরু করেন, পুরাতন মসজিদে আজান দেওয়া ও নামাজ পড়া বন্ধ করে দেয়। অন্যদিকে, গ্রামের মানুষের অন্য আরেকটি অংশ পুরনো মসজিদের ঐতিহ্য ও পবিত্রতা রক্ষায় সেখানে আজান ও জামাত অব্যাহত রাখেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। এমনকি এক পক্ষ অপর পক্ষের মসজিদে নামাজ হওয়া নিয়ে সংশয় ও নেতিবাচক মন্তব্য ছুড়ে দিচ্ছে। এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে ইসলামের সঠিক বিধান কি? এবং কোন মসজিদে নামাজ পড়া অধিকতর শ্রেয়? তা জানা জরুরি হয়ে পড়েছে।" এই বিষয়ে বিস্তারিত বললে উপকৃত হয় সম্মানিত উস্তাদগণ।
সুরা তারাবিহ বা খতম প্রত্যেক রাকাতেই কি সানা এবং তাআউজ তাসমিয়া পাঠ করতে হবে?
নারীদের পিরিয়ড অবস্থায় মুখস্থ কুরআন তিলাওয়াত করা যাবে কিনা? বা লিখা যাবে কিনা? আর যারা শিক্ষকা আছে বা ছাত্রী আছে তারা এই সময়টায় কিভাবে পড়বে/পড়াবে কিভাবে?
আসসালামু আলাইকুম আমার ১৫ দিন পর আবার পিরিয়ড হয়ে একদিন হয়ে বন্ধ হয়ে গেছে কিন্তু প্রস্রাবের সাথে একদম কালো স্রাব দেখা যায়। এখন কি আমার নামাজ রোজা হবে? আর আমি যে দুইদিন নামাজ রোজা করিনি এর জন্য কি আমার গুনাহ হবে আর পরে কাজা রোজা রাখার সাথে সাথে কি অন্য কাফফারাও দেয়া লাগবে?
ইমাম সাহেব নামাজ পড়তে পড়তে মসজিদের মেহরাবের কিছু ভিতরে চলে গেলে নামাজ মাকরূহ হবে কি?
ইমারজেন্সি ব্যালেন্স নিয়ে মা-রা গেলে কি গুনাহ হবে?